Hoop PlusBollywood

সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যুরহস্যে চাঞ্চল্যকর মোড়

গত বছর বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput)-এর মৃত্যুর পর থেকেই নিত্যনতুন তথ্য সামনে আসছে যা রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত করে তুলছে। দুইবার সুশান্তের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আত্মহত্যা করেছেন তিনি। কিন্তু সিবিআই মনে করছে, আত্মহত্যার জন্য থাকতে পারে প্ররোচনা। ফলে ভারতের তরফে গুগল এবং ফেসবুকের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে।

সুশান্তের একাধিক ই-মেল ও মেসেজ ডিলিট করা হয়েছে। এই ঘটনা সিবিআইয়ের সন্দেহ বাড়িয়ে তুলেছে। তাঁর ডিলিট করে দেওয়া ই-মেল ও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলি পুনরুদ্ধার করার জন্য ফেসবুক ও গুগলের সাহায্য চাওয়া হয়েছে। সুশান্তের মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের জন্য একযোগে কাজ করছে এই তিনটি এজেন্সি। এই মামলায় সিবিআই প্রায় বারো জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। হয়েছে একাধিক ফরেন্সিক পরীক্ষা। সিবিআই-এর সন্দেহ মুছে ফেলা ই-মেল ও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের সঙ্গে সুশান্তের মৃত্যুর লিঙ্ক রয়েছে। ফলে ফেসবুক ও গুগল কর্তৃপক্ষের সাহায্যের বিশেষ প্রয়োজন বলে মনে করছে তারা।

এখনও পর্যন্ত সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তে সুশান্ত সিং রাজপুতের কর্মচারী, তাঁর বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী (Rhea Chakraborty), তাঁর পরিবারের সদস্য ও সুশান্তের সহকর্মীদের বয়ান রেকর্ড করেছে সিবিআই। কিন্তু এখনও অবধি সুশান্তকে হত্যার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে রিয়ার বয়ানে অসঙ্গতি দেখা দিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক কান্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার ফলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন বায়কুল্লা জেলে বন্দি থাকার পর জামিনে মুক্ত রয়েছেন রিয়া। চলতি বছরের মে মাসে সুশান্তের রুমমেট সিদ্ধার্থ পিঠানি (Siddharth Pithani)-কে হায়দ্রাবাদ থেকে গ্রেফতার করে এনসিবি। তাঁর বয়ানেও পাওয়া যায় একাধিক অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য।

আরো পড়ুন -   হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পরাজিত মুম্বাই, সুপার ওভারে নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব

গত বছর 14 ই জুন মুম্বইয়ের বান্দ্রার বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট থেকে সুশান্তের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। কুপার হাসপাতালের পোস্টমর্টেম হওয়ার পর আত্মহত্যার তত্ত্ব সামনে আসে যা মানতে নারাজ সুশান্তের পরিবার। সুশান্তের পরিবারের তরফে রিয়া চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মুম্বই পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা হয়। কিন্তু এইমস-এ দ্বিতীয় দফার পোস্টমর্টেম রিপোর্টেও উঠে আসে আত্মহত্যার তত্ত্ব।

Related Articles

Back to top button